এ এম এ মুহিতের জীবনবৃত্তান্ত

শিক্ষাজীবনঃ জনাব মুহিত ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে আইএ পরীক্ষায় সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে ১ম স্থান; ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বি এ অনার্স পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে ১ম এবং ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেন। চাকরিরত অবস্থায় তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমপিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনঃ বর্ণিল কর্মময় জীবনের অধিকারী এ এম এ মুহিত। ১৯৫৫ সালে মুন্সীগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজে প্রভাষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু। এরপর ১৯৫৬-’৫৭ পর্যন্ত লাহোর সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে সিএসপি, ১৯৫৭ জুন-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কুমিল্লায় এসিসট্যান্ট ম্যাজিস্ট্রেট, ১৯৫৮-’৫৯ পর্যন্ত ফরিদপুরের এসিসট্যান্ট ম্যাজিস্ট্রেট, ১৯৫৯-’৬০ সালে বাগেরহাটের এসডিও; ১৯৬০-’৬১ সালে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের প্রটোকল অফিসার; ১৯৬১-’৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণরের ডেপুুটি সেক্রেটারী; ১৯৬২-’৬৩ সালে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ট্রান্সপোর্ট বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারী, ১৯৬৪-’৬৬ সালে করাচীতে অবস্থিত পাকিস্তান প্ল্যানিং কমিশনের চীফ অব প্রোগ্রামিং হিসেবে দায়িত্ব পালন; ১৯৬৬-’৬৯ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারী; ১৯৬৯-’৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তান দূতাবাসে ইকোনমিক কাউন্সিলর; ১৯৭১-’৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ মিশনে কাউন্সিলর, ওয়াশিংটন ডিসি-তে প্রবাসী সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত বিদেশ প্রতিনিধি; ১৯৭১ সালে বেসরকারিভাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সেক্রেটারি; ১৯৭২-এর জুন থেকে ’৭২-এর আগস্ট পর্যন্ত ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ইকোনমিক মিনিস্টার; ১৯৭২-’৭৩ সালে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের দপ্তরে বাংলাদেশ-ভারত ও শ্রীলংকার বিকল্প এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর; ১৯৭৪-’৭৭ সালে ম্যানিলায় অবস্থিত এডিবিতে বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষে এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর; ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮২ সালের মার্চ মাসে জেনারেল এরশাদের স্বল্পমেয়াদী নির্দলীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে জনাব মুহিত অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে এরশাদ কর্তৃক দল গঠন, ক্ষমতা পাকাপোক্ত-করণের উদ্যোগ নেয়ায় জনাব মুহিত স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম মন্ত্রী যিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

রাজনৈতিক জীবনঃ পারিবারিকভাবেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্টতা জনাব মুহিতের, কিন্তু সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছেন অনেক পরে। ছাত্রদের কল্যাণে নানা সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং সমাজ উন্নয়নের স্বতঃস্ফূর্ত নানা কর্মের সাথে তিনি শিক্ষাজীবন থেকেই জড়িত। গৌরব-সৌরভের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তিনি ছিলেন ছাত্রদের নির্বাচিত নেতা। ঐতিহ্যে ভাস্বর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্র-সংসদের ভিপি ছিলেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত স্নেহধন্য ছিলেন জনাব মুহিত। জননেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে তিনি দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। সে ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি তিনি সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বলাভ করেন। উদারনৈতিক রাজনীতি ও সমাজ চিন্তার ধারক ও প্রবক্তা জনাব মুহিত। জনসেবা তাঁর সারাজীবনের সাধনা ও কীর্তি।

মুক্তিযোদ্ধা মুহিতঃ জনাব মুহিত’র জীবনের শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সুদূর ওয়াশিংটনে মার্চ ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন, ‘জয়বাংলা’ আওয়াজ তুলে জুন মাসে পকিস্তান দূতাবাসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সপরিবারে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। আমেরিকায় বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে তাঁর ছিল নেতৃত্বের ভূমিকা।

বিদেশ ভ্রমণঃ জনাব মুহিত বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন। তন্মধ্যে ইংল্যান্ড, আমেরিকা, চীন, ইতালি, নেদারল্যান্ড, সুইডেন, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, কানাডা, চিলি, জ্যামাইকা, ভেনিজুয়েলা, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মিশর, আফগানিস্তান, ঘানা, মরক্কো, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, গ্রীস, তুরস্ক, কাজাকাস্তান, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

অন্যান্যঃ অর্থনীতিবিদ, পরিকল্পনাবিদ, কূটনীতিবিদ, পরিবেশবিদ বিশেষতঃ চিন্তাবিদ ও বিশ্লেষকের পাশাপাশি মুহিত’র লেখকসত্ত্বাও প্রশংসনীয়। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২১। দেশে-বিদেশে ২৫টি প্রকাশনায় তাঁর লেখা প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। ২০০০ সালে তাঁর রচিত বই ‘বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব’ ন্যাশনাল আরকাইভ্্স -এর বিচারে সেরা গ্রন্থ হিসেবে পুরস্কৃত হয়।

বৈবাহিক ও পারিবারিক জীবনঃ জনাব মুহিত ১৯৬১ সালে তাজপুরের উসমানপুর গ্রামের এডভোকেট সৈয়দ মদরিস আলী এবং সিলেটের প্রথম মুসলিম মহিলা গ্রাজুয়েট সাহেরা খাতুন -এর কন্যা সৈয়দা সাবিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। সাবিয়া বেগম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এম এ করেছেন। তিনি একজন ডিজাইনারও। তাঁদের তিন সন্তান। প্রথম সন্তান কন্যা সামিনা মুহিত, ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ; বড় ছেলে শাহেদ মুহিত আর্কিটেক্ট এবং কনিষ্ঠ পুত্র সামির মুহিত শিক্ষকতা করেন।

মুহিত সম্পর্কে সুধীজনের ভাবনাঃ বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী দেশের কৃতী সন্তান এ এম এ মুহিত দেশের প্রয়োজনে তাঁর কর্মকৌশল, মেধা, সততা, দক্ষতা ও সেবা দেখিয়ে সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের গৌরব বৃদ্ধি করছেন। সিলেটের এ সুসন্তান দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছেন, পরিচিত হয়েছেন সকলের কাছের মানুষ হিসেবে।

এ এম এ মুহিতের প্রিয় বিষয়
প্রিয় সখঃ বই পড়া
প্রিয় ফুলঃ গোলাপ
প্রিয় দেশঃ বাংলাদেশ, কানাডা
প্রিয় শিল্পীঃ ফেরদৌসী রহমান এখনও আমার প্রিয়। সে আমার স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মেহেদী হাসান, গোলাম আলীর গানও বেশ ভাল লাগত।
প্রিয় রংঃ নীল
প্রিয় ফলঃ কমলা
প্রিয় খাবারঃ সব্জি, মাছ, মোগলাই
প্রিয় সংগীতঃ ‘মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর’ আমার খুব পছন্দের গান; ‘রোদন ভরা এ বসন্ত’ গানটিও আমার অত্যন্ত প্রিয়।
প্রিয় চলচ্চিত্র (বিদেশী): রোমান হলিডে, আমেরিকায় গিয়ে দেখলাম- বর্নফ্রি; বেশ ইন্টারেস্টিং ছবি। এগুলো পুরোনো ছবি কিন্তু এর আবেদন এখনও অনেক জীবন্ত। এছাড়াও উত্তম-সুচিত্রা অভিনিত ছবি।
প্রিয় বইঃ রবীন্দ্রনাথ’র শেষের কবিতা, ফিল্ডিং’র টম জোন্স, শেক্সপিয়ার’র রোমিও-জুলিয়েট, নজরুলের ব্যথার দান, জীবনানন্দের কবিতা, বিষ্ণু দে’র কবিতা, শামসুর রাহমান’র কবিতা, স্ট্যানলি ওলপার’র লেখা বিভিন্ন ইতিহাস বিষয়ক বই, বিভিন্ন আত্মজীবনী, শরৎচন্দ্রের উপন্যাস, বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুন্ডলা ও অন্যান্য রচনা, নেহেরু’র glimples of world history
প্রিয় খেলাঃ টেনিস
প্রিয় শিক্ষক‍ঃ এ এম এ মুহিত’র স্কুল ও কলেজ জীবনে শিক্ষকরা ছিলেন মেধাবী ও চৌকস। এরা মুহিত’র গড়ে ওঠাতে মূল্যবান অবদান রাখেন এবং তাঁদের সম্বন্ধেও কিছুটা জানা যথাযথ হবে। স্কুলে আবদুল আজিজ স্যার ভূগোল এবং ইংরেজি পড়াতেন। প্রিয়ংবদ চক্রবর্তী বাংলার শিক্ষক ছিলেন। ইব্রাহিম হুজুর আরবী পড়াতেন। পণ্ডিত হরিজন ছিলেন বাংলা ও সংস্কৃতের শিক্ষক। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ ভট্টাচার্য ড্রয়িং এবং অংক পড়াতেন। এরা সবাই নিম্নশ্রেণীর ছাত্রদের খুবই আদর করে দেখাশুনা করতেন। তারা শুধু বইই পড়াতেন না, তারা ছাত্রদের চরিত্র গঠনও করতেন। উচ্চশ্রেণীর শিক্ষকবৃন্দ ছিলেন আসাম প্রদেশের নামকরা সব জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তি। কেতকী রঞ্জন পুরকায়স্ত, সিকান্দর আলী, আবদুল গফুর, সুরেশ ভট্টাচার্য, আবদুল আজিজ, আবদুল গণি, আবদুর রহমান, সুরেশ কর এবং বীরেন্দ্র বাবুর নাম মনে আছে। অংক, ইংরেজি, বাংলা, ইতিহাস, ভুগোল এইসব বিষয়ে এই শিক্ষকেরা একদিকে জ্ঞানদান করতেন এবং অন্যদিকে ভালোবাসা দিয়ে মেধার বিকাশ সাধন করতেন। একজন শিক্ষক সম্বন্ধে বিশেষভাবে বলতে হয়, তিনি ছিলেন ইয়াকুব আলী স্যার। তিনি ভূগোল, বাংলা এবং অংকের শিক্ষক ছিলেন। তাছাড়া তিনি খেলাধুলা, অভিনয়, আবৃত্তি, বক্তৃতা প্রদান এইসব বিষয়ে তদারকি করতেন। দেশ ভাগ হলে তিনি সবাইকে কাঁদিয়ে ভারতে চলে গেলেন। কারণ, তার বাড়ি ছিল শিলচরে। ১৯৪৭ সালে যখন দেশ বিভাগ হয় তখন মুহিতরা ৯ম শ্রেণীতে পড়াশোনা করতেন। কলেজ জীবনে যেসব শিক্ষক দাগ কেটে গেছেন তাঁদের মধ্যে আছেন প্রিন্সিপাল আবু হেনা, ইংরেজির অধ্যাপক আবু সাঈদ আহমেদ, বাংলার অধ্যাপক পল্লীগীতি সংগ্রাহক হারামনি খ্যাত অধ্যাপক মনসুর উদ্দিন, ইতিহাসে এক সময়ের ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল মুনিম চৌধুরী এবং ফরিদপুরের অধ্যক্ষ আবদুল জলিল চৌধুরী। যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক পরবর্তীকালে রাজশাহীর অধ্যক্ষ আবদুল হাই, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ সামসুজ্জামান চৌধুরী। অংকের শিক্ষক ছিলেন ট্রেনিং কলেজের শিক্ষক সোলেমান চৌধুরী এবং আবদুল মতিন চৌধুরী। এছাড়াও রাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতি পড়াতেন অধ্যাপক আবদুস সোবহান খান চৌধুরী, অধ্যাপক মেসবাউল বর চৌধুরী। তারা দু’জনেই অধ্যক্ষ হিসেবে অবসরে যান।
প্রিয় বন্ধুঃ মুহিতের বন্ধুভাগ্য অত্যন্ত ভালো; বস্তুতপক্ষে সুপ্রসন্ন। তাঁর সবচেয়ে পুরনো এবং জীবিত ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেন গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির এ চৌধুরী। এছাড়াও রয়েছেন বাল্যবন্ধু ‘প্রবাসের কথা’ গ্রন্থের স্বনামধন্য লেখক লন্ডনের অধিবাসী নূরুল ইসলাম। লন্ডনে আরো আছেন বিখ্যাত কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। মার্কিন মুল্লুকে আছেন পদার্থ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ফজলে বারি মালিক, জাতিসংঘের অবসরপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ মাহফুজুর রহমান এবং অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ আবদুর রাজ্জাক খান। তাঁর বন্ধু গোষ্ঠীর মধ্যে আছেন রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং সুশীল সমাজের সদস্যবৃন্দ। এঁদের নাম লিখতে গেলে একটি কিতাব হয়ে যাবে।

এঁদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন গুরুজনের মতো এবং অনেকেই ইতোমধ্যে ইহজগত ত্যাগ করেছেন। যেমন- উপাচার্য ফজলুল হালিম চৌধুরী, উপাচার্য খান সরোয়ার মুর্শেদ, প্রধান বিচারপতি হাবিবুর রহমান, জাতীয় অধ্যাপক কবির চৌধুরী, সুসাহিত্যিক শওকত ওসমান, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সাইদ আতিকুল্লাহ, সম্পাদক বজলুর রহমান এবং বন্ধুবর কবিশ্রেষ্ঠ শামসুর রাহমান। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ ছিলেন তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠ। এছাড়াও যেসব বন্ধুবর্গ এখনও জীবিত আছেন তারা হলেন উপাচার্য জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, অধ্যাপক মোস্তফা নূরুল ইসলাম, সরদার ফজলুল করিম, আমেরিকা প্রবাসী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক নূরুল ইসলাম।

শিক্ষাঙ্গনে তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। আরো বন্ধুবর্গ হলেন প্রাক্তন উপাচার্য সদর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, স্নায়ু বিশেষজ্ঞ ড. রশিদ উদ্দিন আহমেদ, উপাচার্য রফিকুল ইসলাম, বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনিসুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডোরা মজিদ, সিপিডি’র ফাউন্ডার অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ঢাকা স্কুল অব ইকনমিক্স এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক খলিকুজ্জামান আহমদ, চিন্তাবিদ অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা ড. সানজিদা খাতুন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, প্রাক্তন মন্ত্রী ও সচিব এম সাইদুজ্জামান, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক এবং ব্যারিস্টার শামসুল বারি।
আরেক বলয়ের বন্ধুবর্গ পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন সদস্য নূরুল হক, প্রাক্তন কৃষি উপদেষ্টা আনিসুজ্জামান, সাবেক সচিব এম মোকাম্মেল হক, প্রাক্তন উপদেষ্টা কাজী ফজলুর রহমান, সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, প্রাক্তন সচিব নুরুল হোসেন খান, প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব ফারুক চৌধুরী, ব্র্যাক’র প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ, প্রাক্তন কর কমিশনার মোহাম্মদ আলী, বিখ্যাত কলামিস্ট এ জেড এম আবদুল আলী, বর্তমানে মাননীয় উপদেষ্টা হোসেন তওফিক ইমাম, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ইনাম আহমদ চৌধুরী, প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমদ, প্রাক্তন সচিব লুৎফুল্লাহিল মজিদ, প্রাক্তন সচিব ফয়জুর রাজ্জাক, প্রাক্তন সচিব মোহাম্মদ আলী, বন্ধুপত্নী নিলুফার মাহমুদ, সংগীত শিল্পী ফেরদৌসী রহমান, বন্ধুপত্নী রেহানা মাসিহুর রহমান, স্ত্রীর বান্ধবী হাজেরা নজরুল এবং আমেরিকাবাসী শাহানা, বিখ্যাত চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী, চিত্রশিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীর, চিত্রশিল্পী সমরজিত চৌধুরী, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত ও সচিব মহিউদ্দিন আহমেদ।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ, মন্ত্রী ও নাট্যাভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর, সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুহ-উল আলম লেনিন, মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সম্পাদক আবেদ খান, মুক্তিযুদ্ধের সহ-অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকার, সেক্টর কমাণ্ডার জেনারেল সফিউল্লাহ, জেনারেল চিত্তরঞ্জন দত্ত, কর্ণেল আবু ওসমান চৌধুরী, মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রাক্তন সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার, আওয়ামী লীগের সংসদীয় উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী প্রমুখ।
অবসরেঃ বই পড়েন, বিশিষ্টজনদের অটোবায়োগ্রেফী ধরনের বই বেশ ভাল লাগে।

মুহিতের জীবন বৃত্তান্ত

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী দেশের কৃতী সন্তান এ এম এ মুহিত দেশের প্রয়োজনে তাঁর কর্মকৌশল, মেধা, সততা, দক্ষতা ও সেবা দেখিয়ে সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের গৌরব বৃদ্ধি করছেন। সিলেটের এ সুসন্তান দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছেন
বিস্তারিত...

যোগাযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
৩৩ তোপখানা রোড, মেহেরবা প্লাজা
১৩ তলা, ঢাকা -১০০০
ফোনঃ ৯৫৬০২২৫, ৯৫৫০০৫৫,
ই-মেইলঃ info@campus.org.bd

মেইল করুন