মেধা ও প্রজ্ঞার অপূর্ব মিশেল

আবুল মাল আবদুল মুহিত যেন পরশপাথর, যেখানেই হাত দেন- সোনা ফলে! এক জীবনে তিনি এত বেশি বলেছেন, এত বেশি লিখেছেন, এত এত গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন- তাঁর সমতুল্য ব্যক্তি খুঁজতে গেলে বেগ পেতেই হবে! রাষ্ট্রীয় অনেক গুরুদায়িত্ব পালন করেও সৃষ্টি করেছেন বিপুল রচনাসম্ভার। মেধা-মনীষা, প্রজ্ঞা-ধী, কৃতী-কীর্তিতে অনন্য এক মানুষ তিনি। চিন্তায়, কর্মে, সৃজনে সময়ের চেয়ে অগ্রসর। তাঁর চিন্তাজাত লেখনী সমাজকে করেছে আলোকিত। বর্ণাঢ্য জীবনের আলোকচ্ছটায় উদ্ভাসিত মুহিতের জীবন। সে আলোর দীপ্তিতে ভাস্বর তাঁর মননশীল রচনাজগৎ। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার পেলেন স্বাধীনতা পদক। প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে, এখনও তাঁর কলম ফলপ্রসূ ও সচল। তাঁর রচনাভা আন্দোলন নিয়ে যেমন চমৎকার গ্রন্থ রচনা করেছেন, তেমনি ভ্রমণকাহিনী, স্মৃতিকথা, রাষ্ট্র ও সরকারের রেখাচিত্র অঙ্কন করেছেন স্বকীয় চিন্তায়। মৌলিক লেখার পাশাপাশি সম্পাদনাও করেছেন বেশ কয়েকটি বই। একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৬-এ উৎস প্রকাশন প্রকাশ করেছে আবুল মাল আবদুল মুহিত রচনাবলি। যা তাঁর এ-যাবৎ প্রকাশিত মৌলিক গ্রন্থের মহাফেজখানা। রচনাবলিতে অন্তর্ভুক্ত ১৯টি বই হচ্ছে- বাংলাদেশের অভ্যুদয় (প্রথম প্রকাশ ২০১৫), রাজনৈতিক ঐকমত্যের সন্ধানে (প্রথম প্রকাশ ১৯৯৯), জেলায় জেলায় সরকার (প্রথম প্রকাশ ২০০২); বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ (প্রথম প্রকাশ ২০১৩), নানা দেশ নানা জাতি (প্রথম প্রকাশ ২০০১), স্মৃতি অম্লান ১৯৭১ (প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬); মহাপুরুষদের কথা কাছে থেকে দেখা (প্রথম প্রকাশ ২০০১), স্মৃতির মণিকোঠায় (প্রথম প্রকাশ ২০১৪); জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব (প্রথম প্রকাশ ২০০০), তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাতাশ মাস (প্রথম প্রকাশ ২০০৯); Problems of Bangladesh (প্রথম প্রকাশ ১৯৮৩); An Agenda for good Governance (প্রথম প্রকাশ ২০০৭); Bangladesh in Twenty-First Century (প্রকাশকাল ১৯৯৯); State Language Movement in East Bengal (প্রথম প্রকাশ ২০০৮), Thoughts on Development Administration (প্রথম প্রকাশ ১৯৯৯), Issues of Governance in Bangladesh (প্রথম প্রকাশ ২০০১); Bangladesh : Emergence of a Nation (প্রথম প্রকাশ ১৯৭৮), The Deputy Commissioner in East Pakistan (প্রথম প্রকাশ ১৯৬৮); American Response to Bangladesh Liberation War (প্রথম প্রকাশ ১৯৯৬)।
রচনাবলির প্রথম খন্ডে অন্তর্ভুক্ত গ্রন্থসংখ্যা তিনটি। এগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশের অভ্যুদয়, রাজনৈতিক ঐকমত্যের সন্ধানে, জেলায় জেলায় সরকার। বাংলাদেশের অভ্যুদয় গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাস্তবতা বিধৃত হয়েছে। বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়েই ২০১৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়েছিল। রাজনৈতিক ঐকমত্যের সন্ধানে বইটি তুলে ধরেছেন রাজনীতির চালচিত্র। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে রক্তপাত, হানাহানি আর অন্তর্কলহ। বইটি জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার নানা দিকনির্দেশনায় ঋদ্ধ। জেলায় জেলায় সরকার বইটি লেখকের একটি অসাধারণ গ্রন্থ। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণের মাধ্যমেই জনবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এ গ্রন্থে স্থানীয় সরকারের রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন লেখক।
দ্বিতীয় খন্ডে অন্তর্ভুক্ত গ্রন্থসংখ্যা তিনটি। এগুলো হচ্ছে- স্মৃতি অম্লান ১৯৭১, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ, নানা দেশ নানা জাতি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নির্মোহ দলিল স্মৃতি অম্লান ১৯৭১। এ বইয়ে লেখক তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকার বিভিন্ন রকম ভূমিকা, প্রবাসে বাংলাদেশে কূটনীতিবিদদের আনুগত্য পরিবর্তনসহ ইতিহাসের অনিবার্য সব উপাদান। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুকে কাছে থেকে দেখার স্মৃতিচারণ যেমন রয়েছে তেমনি বিভিন্ন কালপর্বে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক উত্থান বিধৃত হয়েছে। বইটির মূল উপজীব্য বিষয় স্বাধীনতা সংগ্রামী বঙ্গবন্ধু। নানা দেশ নানা জাতি গ্রন্থটি ইতিহাস ঐতিহ্যের মোড়কে আবৃত ভ্রমণকাহিনী। লেখকের ভ্রমণকৃত দেশগুলো হচ্ছে- ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, গ্রিস, তুরস্ক ও ইরাক।
তৃতীয় খন্ডে স্থান পেয়েছে দুইটি বই- মহাপুরুষদের কথা কাছে থেকে দেখা, স্মৃতির মণিকোঠায়। দুটো বইয়ের বিষয়ই প্রায় অভিন্ন- স্মৃতিচারণ ও মনীষীদের সান্নিধ্য লাভের বয়ান। কর্মজীবনে এবং ব্যক্তিজীবনে লেখক খ্যাতিমান অনেক ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য পেয়েছেন। এঁরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে দিকপাল। আলোকের অভিসারীদের কর্মের সুলুকসন্ধান অতটা না করে লেখক প্রাধান্য দিয়েছেন ব্যক্তিগত সম্পর্ককে। চকিত চাহনিতে দেখিয়েছেন তাদের কীর্তিবহুল জীবন।
চতুর্থ খন্ডে স্থান পেয়েছে ২টি বই- বাংলাদেশ : জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাতাশ মাস। বাংলার কালক্রমিক ইতিহাস, ঔপনিবেশিক শাসনামল, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা- ইতিহাসের প্রতি নিষ্ঠ থেকে লেখক সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছেন বাংলাদেশ : জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব। বিভিন্ন সারণি ও চিত্র ব্যবহার করে লেখক দেখিয়েছেন কালে কালে এ-জনপদের বাসিন্দাদের কীভাবে লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত করা হয়েছে। স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় গণতন্ত্র। কখনও বা জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে সামরিক শাসন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাতাশ মাস গ্রন্থে লেখক দেখিয়েছেন গণতন্ত্রের মোড়কে আবৃত সামরিক শাসকের প্রতিচ্ছবি।
পঞ্চম খন্ডে স্থান পেয়েছে শুধু একটি বই- PROBLEMS OF BANGLADESH [An Attempt at survival]. ইংরেজী ভাষায় রচিত বইটির শুরুতে বিধৃত হয়েছে লেখকের ২ পর্বের বাজেট বক্তৃতা- ১৯৮২-৮৩, ১৯৮৩-৮৪। এ সময়ে লেখক আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় সংসদে দেয়া বাজেট বক্তৃতার ইংরেজী অনুবাদের এ বক্তব্যে পাঠক সে সময়ের অর্থনীতির সঙ্গে বর্তমান অর্থনীতির তুলনামূলক একটি চিত্র পাবেন। বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ের অর্থনীতি নিয়ে লেখক যেমন আলোচনা করেছেন তেমনি আলোকপাত করেছেন বৈশ্বিক অর্থনীতির গতিপ্রকৃতির দিকেও। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আলোকপাতের পাশাপাশি উন্নয়ন সমস্যা, রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের প্রতিও মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন লেখক।
ষষ্ঠ খন্ডে স্থান পেয়েছে একটি বই- An Agenda For Good Governance. গণতন্ত্রের সফলতার মূল চাবিকাঠি সুশাসন। বাংলাদেশে সুশাসন প্রত্যাশা এবং বাস্তবতার মধ্যে যোজন যোজন ফারাক। পেশিশক্তি প্রদর্শন, ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনীতিকে স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার বানানো, প্রশাসনে ব্যাপক দুর্নীতিÑ সবকিছুই সুশাসনের প্রতিবন্ধক। সরকার এখানে নতজানু, ক্ষেত্রবিশেষে নাজেহাল। গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ, রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতা, রাজনৈতিক দল, সংসদীয় গণতন্ত্র, উন্নয়নের অন্তরায় প্রভৃতি বিষয় লেখক সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন। জাতীয় জীবনের দুর্নীতিতে কীভাবে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এসব যেমন দেখিয়েছেন তেমনি বিভিন্ন ছক-চিত্রে উপস্থাপন করেছেন বাংলাদেশের অর্থনীতির বছরওয়ারি সমীক্ষা, জিডিপির ওঠানামা প্রভৃতি।
সপ্তম খন্ডে স্থান পেয়েছে ১টি বই- Bangladesh in the twenty-first century. একুশ শতকের অর্থনীতি যেমন আমূল পাল্টেছে, পাল্টে গেছে মানুষের জীবনধারাও। বহির্বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশেও সূচিত হয়েছে প্রভূত পরিবর্তন। কল-কারখানাকেন্দ্রিক সমৃদ্ধি, শিল্প বিপ্লব, বাংলাদেশের অর্থনীতির নানা বাঁক বদল- কেমন হয়েছে নাগরিকের জীবনমান, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রূপরেখা ইত্যাদি আলোচনার মাধ্যমে উদীয়মান অর্থনীতির বাংলাদেশের চিত্র এঁকেছেন লেখক।
অষ্টম খন্ডে স্থান পেয়েছে ৩টি বই- State Language Movement in East Bengal, Thoughts on Development Administration, Issues of Governance in Bangladesh. ভাষা আন্দোলন, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে রচিত গ্রন্থত্রয় একই সঙ্গে ধারণ করেছে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমৃদ্ধি ও সরকারের অবয়ব।
নবম খন্ডে স্থান পেয়েছে ২টি বই- Bangladesh: Emergence at a nation, The deputy commissioner in east Pakistan. Bangladesh: Emergence at a Nation বইয়ে আলোচিত হয়েছে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, ভূখন্ড, ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয়-আশয়। পাকিস্তানের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রের রয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। The Deputy Commissioner in East Pakistan গ্রন্থে আলোচিত হয়েছে প্রশাসনিক কাঠামো, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণসহ বিভিন্ন সমস্যা-সম্ভাবনা।
দশম খণ্ড স্থান পেয়েছে ১টি বই- American Response to Bangladesh Liberation War. বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি আমেরিকা। বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকার ভূমিকা ছিল অনেকাংশেই নেতিবাচক। বিপরীতে আমেরিকার সাধারণ জনগণ, সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষেরা বাংলাদেশের দিকে বন্ধুর হাত বাড়িয়ে কাছে থেকেছেন। মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকার তৎপরতার পূর্বাপর দলিল দস্তাবেজ, যুক্তি-তর্কের নিরিখে নিজস্ব মত উপস্থাপন করেছেন লেখক।
মুহিতমানসের যথার্থ হদিস, বাংলাদেশ বিষয়ে সাধারণ এবং যথার্থ জ্ঞান যদি কেউ পেতে চান আবুল মাল আবদুল মুহিত রচনাবলি অবশ্যপাঠ্য। লেখক, গবেষক, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, প্রশাসক, পরিবেশবিদ ও অর্থনীতিবিদ আবুল মাল আবদুল মুহিত সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ২৫ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। কৈশোরে ছাত্র সংগঠন এবং ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৫৫ সালে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি ও সর্বদলীয় কর্মপরিষদের আহ্বায়ক থাকাকালে কিছুদিন জেলেও ছিলেন।
কর্মজীবনে পূর্ব পাকিস্তান এবং কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকারের প্রায় ১৩ বছর চাকরি করে ওয়াশিংটনে পাকিস্তান দূতাবাসে অর্থনৈতিক কাউন্সিলর হিসেবে নিযুক্তি পান ১৯৬৯ সালে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরে ৩০ জুনে তিনি আনুগত্য পরিবর্তন করেন এবং মার্কিন কূটনৈতিক, শিামহল ও সংবাদমাধ্যমে প্রচারণায় ও জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২৫ বছরের সরকারী চাকরির পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব হিসেবে স্বেচ্ছা অবসরে যান ১৯৮১ সালে।
১৯৮২ এবং ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন এবং Escap-এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে পরিবেশ আন্দোলন গড়ে উঠে। প্রথমে ‘পরশ’ এবং পরে ‘বাপা’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশনেরও পরপর দুই মেয়াদে সভাপতি ছিলেন। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হন। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

মুহিতের জীবন বৃত্তান্ত

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী দেশের কৃতী সন্তান এ এম এ মুহিত দেশের প্রয়োজনে তাঁর কর্মকৌশল, মেধা, সততা, দক্ষতা ও সেবা দেখিয়ে সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের গৌরব বৃদ্ধি করছেন। সিলেটের এ সুসন্তান দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছেন
বিস্তারিত...

যোগাযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
৩৩ তোপখানা রোড, মেহেরবা প্লাজা
১৩ তলা, ঢাকা -১০০০
ফোনঃ ৯৫৬০২২৫, ৯৫৫০০৫৫,
ই-মেইলঃ info@campus.org.bd

মেইল করুন